মাত্র ৫ মিনিটে ডিপোজিট, ৩০ মিনিটে উইথড্র — কোনো লুকানো চার্জ নেই, কোনো ঝামেলা নেই।
x3d-তে যেসব পদ্ধতিতে টাকা জমা ও তোলা যায়
ধাপে ধাপে শিখুন ডিপোজিট ও উইথড্রের পদ্ধতি
আপনার মোবাইল নম্বর ও পাসওয়ার্ড দিয়ে x3d-তে প্রবেশ করুন। অ্যাকাউন্ট না থাকলে বিনামূল্যে নিবন্ধন করুন — মাত্র ৩ মিনিট।
উপরের ডানদিকে ওয়ালেট আইকনে ক্লিক করুন এবং 'ডিপোজিট' অপশন বেছে নিন।
বিকাশ, নগদ, রকেট — যেটা আপনার কাছে আছে সেটা বেছে নিন। কত টাকা ডিপোজিট করতে চান সেটা লিখুন (সর্বনিম্ন ৳১০০)।
সিস্টেম আপনাকে একটি মার্চেন্ট নম্বর দেবে। সেই নম্বরে আপনার মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপ থেকে পেমেন্ট করুন।
পেমেন্ট সম্পন্ন হলে আপনার মোবাইলে একটি ট্রানজেকশন আইডি আসবে। সেটা x3d-তে সাবমিট করুন — সাধারণত ৫ মিনিটের মধ্যে টাকা ক্রেডিট হয়।
ডিপোজিটের সময় x3d-র দেওয়া মার্চেন্ট নম্বরেই পাঠান। অন্য কোনো ব্যক্তির নম্বরে পাঠালে টাকা ফেরত পাওয়া নাও যেতে পারে।
* রাত ১১টা–ভোর ৬টার মধ্যে সামান্য বিলম্ব হতে পারে।
x3d-তে লগইন করে ওয়ালেট সেকশন থেকে 'উইথড্র' বা 'টাকা তুলুন' অপশনে যান।
কত টাকা তুলতে চান এবং কোন পদ্ধতিতে তুলতে চান সেটা বেছে নিন। বিকাশ/নগদ/রকেট — সব পদ্ধতিতে উইথড্র করা যায়।
যে নম্বরে টাকা পেতে চান সেটা সঠিকভাবে লিখুন। নম্বর ভুল হলে টাকা অন্যের কাছে চলে যেতে পারে।
সব তথ্য ঠিকঠাক দেখে 'রিকোয়েস্ট করুন' বাটনে ক্লিক করুন। একটি নিশ্চিতকরণ SMS আপনার ফোনে আসবে।
সাধারণত ৩০ মিনিটের মধ্যে টাকা আপনার মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে চলে আসে। VIP সদস্যদের জন্য সময় আরো কম।
উইথড্রের আগে KYC যাচাইকরণ সম্পন্ন করতে হবে। বোনাসের ওয়েজারিং শর্ত পূরণ না হলে উইথড্র প্রক্রিয়া আটকে যেতে পারে।
আপনার স্মার্টফোনে বিকাশ অ্যাপ খুলুন এবং 'পেমেন্ট' বা 'সেন্ড মানি' অপশনে যান।
x3d-র ড্যাশবোর্ড থেকে পাওয়া মার্চেন্ট নম্বরটি বিকাশে দিন। প্রতিটি সেশনে নতুন নম্বর দেওয়া হয়।
কত টাকা ডিপোজিট করতে চান সেটা লিখুন এবং আপনার বিকাশ পিন দিয়ে কনফার্ম করুন।
পেমেন্ট সফল হলে বিকাশ থেকে একটি TrxID পাবেন। এটা x3d-তে পেস্ট করুন।
x3d-তে TrxID সাবমিট করার পর সাধারণত ৩–৫ মিনিটে আপনার ওয়ালেটে টাকা দেখা যাবে।
বিকাশ হলো বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং। x3d-র ৬৫% ব্যবহারকারীই বিকাশ ব্যবহার করেন। প্রতিদিন লক্ষো টাকা বিকাশে লেনদেন হয় — দ্রুত, নিরাপদ।
কেউ ফোন করে বিকাশ পিন বা OTP চাইলে দেবেন না। x3d কখনো এই তথ্য চায় না। প্রতারণা থেকে সাবধান থাকুন।
কোন পদ্ধতিতে কী কী সুবিধা পাবেন
| পদ্ধতি | ডিপোজিট সময় | উইথড্র সময় | সর্বনিম্ন | ২৪/৭ সার্ভিস | মোবাইলে সহজ | ফি |
|---|---|---|---|---|---|---|
| বিকাশ ⭐ | ৩–৫ মিনিট | ১৫–৩০ মিনিট | ৳১০০ | ✔ | ✔ | বিনামূল্যে |
| নগদ | ৩–৭ মিনিট | ১৫–৪৫ মিনিট | ৳১০০ | ✔ | ✔ | বিনামূল্যে |
| রকেট | ৫–১০ মিনিট | ২০–৪৫ মিনিট | ৳১০০ | ✔ | ✔ | বিনামূল্যে |
| উপায় | ৫–১৫ মিনিট | ৩০–৬০ মিনিট | ৳২০০ | ✔ | ✔ | বিনামূল্যে |
| ব্যাংক ট্রান্সফার | ১–৩ দিন | ১–৩ দিন | ৳৫০০ | ✘ | ✘ | ব্যাংক ফি |
| ক্রিপ্টো | ১৫–৬০ মিনিট | ৩০–৯০ মিনিট | $১০ | ✔ | ✔ | নেটওয়ার্ক ফি |
আপনার প্রতিটি লেনদেন সুরক্ষিত রাখি আমরা
পেমেন্ট অভিজ্ঞতা নিয়ে সদস্যদের মতামত
"বিকাশে ডিপোজিট করার মাত্র ৪ মিনিট পরেই আমার x3d ওয়ালেটে টাকা দেখা গেল। এত দ্রুত আমি আশাই করিনি। কক্সবাজারে বসে ম্যাচ দেখতে দেখতে বেট করলাম।"
"পহেলা বৈশাখের রাতে উইথড্র করেছিলাম ৳১৫,০০০ — মাত্র ২০ মিনিটে বিকাশে এসে গেল! বগুড়ায় এতো রাতে এই স্পিড দেখে সত্যিই অবাক হয়েছি।"
"সিলেটে আমার নেট একটু ধীর কিন্তু x3d-র অ্যাপে নগদ দিয়ে পেমেন্ট করতে কোনো সমস্যা হয়নি। সাপোর্ট টিম বাংলায় সাহায্য করেছে — এটাই সবচেয়ে ভালো লেগেছে।"
সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞেস করা পেমেন্ট প্রশ্নগুলোর উত্তর
বাংলাদেশের অনলাইন বেটিং মার্কেটে পেমেন্টের সমস্যাই ছিল সবচেয়ে বড় বাধা। অনেক সাইট আছে যেখানে টাকা ডিপোজিট করা সহজ কিন্তু উইথড্র করতে গেলে দিনের পর দিন অপেক্ষা করতে হয়। x3d সেই সমস্যাটার সমাধান করেছে একটাই মূলনীতি দিয়ে — ব্যবহারকারীর টাকা, ব্যবহারকারীর নিয়ন্ত্রণে।
ঢাকার নিয়ন ঝলমলে রাতে হোক বা কক্সবাজারের সৈকতে — x3d-র পেমেন্ট সিস্টেম সবখানে একই দ্রুততায় কাজ করে। কারণ আমাদের পেমেন্ট ইনফ্রাস্ট্রাকচার বাংলাদেশের মোবাইল নেটওয়ার্কের কথা মাথায় রেখে তৈরি।
x3d-র ৬৫% ব্যবহারকারী বিকাশ ব্যবহার করেন — এটা কোনো কাকতালীয় বিষয় নয়। বিকাশ বাংলাদেশের সবচেয়ে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত মোবাইল ব্যাংকিং সেবা। গ্রাম থেকে শহর, রিকশাওয়ালা থেকে ব্যবসায়ী — সবার কাছে বিকাশ আছে।
x3d-তে বিকাশে ডিপোজিট করলে গড়ে মাত্র ৩-৫ মিনিটে টাকা আপনার ওয়ালেটে যোগ হয়। রাত-দিন, ছুটি-কার্যদিবস যাই হোক — বিকাশে ডিপোজিট সবসময় কাজ করে।
নগদ বাংলাদেশ পোস্ট অফিসের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত মোবাইল ব্যাংকিং সেবা। x3d-তে নগদে ডিপোজিট করলে অনেক সময় অতিরিক্ত ক্যাশব্যাক পাওয়া যায় — বিশেষত বিশেষ প্রমোশন পিরিয়ডে। সিলেট ও চট্টগ্রামের অনেক ব্যবহারকারী নগদকেই বেছে নেন তার সহজ ইন্টারফেসের কারণে।
x3d-র পেমেন্ট সিস্টেম ২৫৬-bit SSL এনক্রিপশন দিয়ে সুরক্ষিত। এর মানে হলো আপনার প্রতিটি লেনদেন এমনভাবে কোড করা থাকে যা উন্মোচন করা কার্যত অসম্ভব। এছাড়াও প্রতিটি উইথড্র রিকোয়েস্ট আমাদের নিরাপত্তা টিম ম্যানুয়ালি যাচাই করে — তাই আপনার টাকা সবসময় সঠিক গন্তব্যে যায়।
আন্তর্জাতিক ব্যবহারকারীদের জন্য x3d Bitcoin (BTC), Ethereum (ETH) এবং USDT গ্রহণ করে। ক্রিপ্টোতে লেনদেনে সম্পূর্ণ বেনামি থাকার সুবিধা আছে এবং যেকোনো দেশ থেকে লেনদেন করা যায়। তবে নেটওয়ার্ক কংজেশনের কারণে সময় একটু বেশি লাগতে পারে।
বিকাশ, নগদ বা রকেটে মাত্র ৳১০০ ডিপোজিট করুন এবং পান ১০০% বোনাস। কোনো ঝামেলা নেই।